সম্পাদকীয় 

উপজেলা নির্বাচন ? না কী নিক্সন বিরোধী চক্রান্ত ?

উপজেলা নির্বাচন ?
না কী নিক্সন বিরোধী চক্রান্ত ?

মোঃ হুমায়ুন মিয়া:

আগামী ১৮ মার্চ ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। জনাব জাকির হোসেন – আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী, জনাব এসএম হাবিবুর রহমান – নিক্সন চৌধুরী সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী, জনাব সাহাদাত হোসেন – কারো সমর্থন ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী।

জনাব জাকির হোসেনের নির্বাচনী বক্তব্য্য আমি শুনেছি। সংসদ নির্বাচনের ন্যায় জাকির সমর্থকরা নিক্সন চৌধুরীকে চরম কটাক্ষ করে বক্তৃতা দেন। জাকির সাহেব জনাব জাফর উল্লাহ’র সমর্থিত বলে নিক্সন চৌধুরীর বিরূদ্ধে কথা বলবেন ইহাই স্বাভাবিক।

জনাব সাহাদাৎ হোসেনের বক্তৃতাও আমি শুনেছি। তিনিও নৌকার প্রার্থী জাকির হোসেনের ন্যায় হুবুহু একই কন্ঠে, একই সুরে নিক্সন চৌধুরীকে চরম কটাক্ষ করে ভোট চাইছেন। জাকির সাহেবের সমর্থকরা নিক্সন চৌধুরীর বিরূদ্ধে যা যা বলছেন, সাহাদাৎ সাহেব ও তার সমর্থকরাও তাই তাই বলছেন।

জনাব সাহাদাৎ হোসেন নিক্সন চৌধুরীর বিরূদ্ধে হাবিবের কাছ থেকে ৪ কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ এনেছেন। জনাব সাহাদাৎ গত নির্বাচনেও ২০০৯ সালের নির্বাচনে তার কাছ থেকে জনাব জাফর উল্লাহ’র ১২ লক্ষ টাকা নেয়ার অভিযোগ এনেছিলেন।

বিষয়টি শ্রুতিকটু,অশালীন। রাজনীতিতে টাকার লেনদেন হয় বলে মানুষ মনে করে। কিন্ত নিকট অতীতে শাহাদাৎ সাহেব যার সকল কাজের সাথী ছিলেন, তাকে নিয়ে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে মিথ্যা গল্প ফেঁদে ছোট করা, নিক্সন চৌধুরীর ৪ কোটি টাকা নেয়া -এহেন গল্প মানুষ বিশ্বাযোগ্য মনে করে না, শাহাদাৎ সাহেবের ভোটের জন্য এই গল্প মোটেই সহায়ক নয়। তাই কখনো মান্যবর কাজী জাফর উল্লাহ’কে, আবার কখনো কখনো মান্যবর নিক্সন চৌধুরীকে ঘুষখোর হিসাবে অপবাদ দিয়ে কেউই তার নিজকে পবিত্র বলে প্রমান করতে পারবেন না।

অতএব, আগামী উপজেলা নির্বাচন নিক্সন চৌধুরীর বিরূদ্ধে একটি চক্রান্ত – এই চক্রান্তের শিকড় অনেক গভীরে।

Related posts

Leave a Comment

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com